• ২৩ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengaluru FC

খেলার দুনিয়া

সেরা ডিফেন্ডারকে হারাল ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরুতে লালহলুদের ‘‌হীরে’‌

একের পর এক ফুটবলার সই করিয়ে নতুন মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতার অন্য প্রধানে চররম দুরাবস্থা। ইস্টবেঙ্গলে চলছে দল ছাড়ার হিড়িক। এবার ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন গতবছর আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেওয়া ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডল। সুনীল ছেত্রির বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিলেন গত মরশুমে ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া এই ডিফেন্ডার। ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কখা হলেই চুক্তিপত্রে সই করাতে পারছেন না কর্তারা। ইমামির কর্তারাও আগেই জানিয়েছিলেন, চুড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দল গঠন করা যাবে না। সেইমতো ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি থমকে ছিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন হীরা মণ্ডল। কিন্তু ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় অপেক্ষা করতে পারলেন না। ঝুঁকি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জন্য অপেক্ষা করে নিজের ফুটবলজীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে চাননি। তাই বেঙ্গালুরু এফসির প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। গত মরশুমে আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল জঘন্য পারফরমেন্স করলেও যে কজন ফুটবলার নজর কেড়েছিলেন, হীরা মণ্ডল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বেঙ্গালুরু এফসি ছাড়াও তাঁর কাছে চেন্নাইন এফসি, ওডিশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব ছিল। চেন্নাইনের দিকেই ঝুঁকে ছিলেন হীরা। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দুরন্ত অফার এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে তিনি আকৃষ্ট হন। কিছুদিন আগে এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এবার তুলে নিল লালহলুদের সেরা ডিফেন্ডারকে। গত আইএসএলে ১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন হীরা মণ্ডল। মাত্র চারটি ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। একটিও লাল কার্ড তিনি দেখেননি। গোটা মরসুমে ফাউল করেছেন মাত্র ১০টি। ৪৯টি ট্যাকেল করেছিলেন। যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল সঠিক। ২৯টি সঠিক ইন্টারসেপশন করেছেন। ৫৭টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন হীরা। ফলে তাঁর পরিসংখ্যাই বলে দিচ্ছে কতটা পরিষ্কার ডিফেন্ডিং করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.১৯ শতাংশ সঠিক পাস বাড়াতে পেরেছিলেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে হার দিয়েই আইএসএল অভিযান শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলের শেষ ম্যাচ জিতে মান বাঁচাতে চেয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। চেয়েছিলেন সমর্থকদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে। তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল না। বলা যায় স্বপ্নপূরণ হতে দিলেন না তাঁর দলের স্ট্রাইকাররা। অসংখ্য গোলের সুযোগ নষ্ট করে আইএসএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসি-র কাছে ১-০ ব্যবধানে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। এদিন প্রথম একাদশে একগুচ্ছ পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তা সত্ত্বেও বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিল লালহলুদ ব্রিগেড। শুরু থেকেই বিপক্ষ রক্ষণকে চাপে রেখেছিলেন লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথম খেলতে নামা শুভ ঘোষ ও পেরোসেভিচ। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও গোল পাচ্ছিলেন না। এর মধ্যে ম্যাচের ২১ মিনিটে দিনের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। বিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে ট্যাকেল করলে লুজ বল পেয়ে যান পেরোসেভিচ। বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপারকে একা পেয়েও তিনকাঠির মধ্যে বল রাখতে পারেননি তিনি।২ মিনিট পরেই এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। বক্সের ভেতর ভেসে আসা বল পান সুনীল ছেত্রি। ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন। এই গোলের ক্ষেত্রে নতুন বিদেশি অনন্ত তামাংকে দায়ী করা যেতেই পারে। একটা নিরীহ সেন্টারের ফ্লাইট মিস করায় বল পেয়ে যান সুনীল ছেত্রী। ৩০ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত বেঙ্গালুরু। উদান্ত সিংয়ের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে আবার গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন পেরোসেভিচ। এরপরই তাঁকে তুলে নিয়ে মার্সেলো রিবেইরাকে নামান মারিও রিভেরা। রিবেইরাকে নামিয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ৭০ মিনিটে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত থ্রু পাস পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। দ্বিতীয়ার্ধে তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন বেঙ্গালুরুর গোলকিপার লারা শর্মা। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে তিনিই ম্যাচের সেরা। ২০ ম্যাচে ১১ পয়েন্টে সবার নিচে লিগ শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। মাত্র ১টি জয়। গোল করেছে ১১টি, হজম করেছে ৩৬টি।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরু'কে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থানের লড়াই জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান

এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ দুদলের কাছেই ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে এটিকে মোহনবাগানকে জিততেই হত। অন্যদিকে, প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য জেতাটা জরুরি ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। আক্রমণাত্মক ফুটবলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও শেষরক্ষা হয়নি বেঙ্গালুরু এফসির। বাজিমাত করে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দল। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসিকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে ওঠার লড়াই আরও জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান। ১৮ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শীর্ষে যাওয়ার দৌড়ে থাকল সবুজমেরুণ শিবির।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে গিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে ফেলেছিল এটিকে মোহনবাগান। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল। সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিং। আইএসএলে বিদেশিদের ভিড়ে দারুণ উজ্জ্বল এই দুই ভারতীয়। ডিফেন্সে এদিন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন সন্দেশ ঝিঙ্ঘান ও তিরি। এটিকে মোহনবাগানের এই দুই ডিফেন্ডার এদিন কোনও সুযোগ দেননি সুনীল ছেত্রি, ক্লেইটন সিলভা ও ইবারাদের।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে সেভাবে উইং দিয়ে আক্রমণ শানাতে পারেননি লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে লিস্টন কোলাসো ছন্দে ফিরতেই চেনা বাগান। প্রথমার্ধে বারবার বেঙ্গালুরুর বক্সে পৌঁছে গেলেও গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। অবশেষে প্রথমার্ধের একেবারে শেষলগ্নে ডেডলক ভাঙেন লিস্টন কোলাসো। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ঠিক বাইরে লিস্টনকে একসঙ্গে মিলে ফাউল করেন ব্রুনো সিলভা ও অজয় ছেত্রি। রেফারি ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন। বাঁক খাওয়ানো দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। এই নিয়ে আইএসএলে ৮টি গোল করে ফেললেন এই ভারতীয় উইঙ্গার।এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচদ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে এটিকে মোহনবাগানের। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত সবুজমেরুণের। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনননি ইবারা, সুনীলরা। ৮৫ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে গড়ানো শটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন মনবীর সিং। প্লে অফের স্বপ্নের সলিলসমাধি ঘটে বেঙ্গালুরুর।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডামাডোল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, স্বপ্নভঙ্গ হয়ে নেতৃত্ব ছাড়লেন সবুজ-মেরুন থেকে আসা গোলকিপার

এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে নেতৃত্ব দেবেন। সেই স্বপ্ন নিয়ে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে লালহলুদে যোগ দিয়েছিলেন। স্বপ্ন পূরণ হলেও দলকে আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন অরিন্দম ভট্টাচার্য। শনিবার হঠাৎ করেই তিনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।শনিবার বিকেলে টুইটারে অরিন্দম লেখেন, নিজের খেলার ব্যাপারে সবসময় সততা বজায় রেখে চলতে বিশ্বাস করি। আমাকে ঘিরে এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে আগের মতোই মাঠে নেমে দলের জন্য, সমর্থকদের জন্য ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেব। মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও সবরকম দায়িত্ব পালন করার জন্য আমি তৈরি। তবে সূত্রের খবর, ম্যানেজমেন্টের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েই নেতৃত্ব ছেড়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য।Ive always been honest about the way Ive played the game. And at this moment due to circumstances around me, I am stepping down as the captain of @sc_eastbengal(1/2) Arindam Bhattacharya (@ArindamGK) January 15, 2022নতুন কোচ মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে অরিন্দম ভট্টাচার্যর নেতৃত্ব ছাড়াটা আরও একটা খারাপ খবর এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। কারণ আগের দিনই লালহলুদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নতুন কোচ মারিও রিভেরার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন না। এখন দেখার লালহলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই গোয়ায় টিম হোটেলে পৌঁছে গেছেন রিভেরা। আপাতত কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ করে পরের ম্যাচ থেকেই তিনি লালহলুদ ব্রিগেডের দায়িত্ব তুলে নেবেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। লালহলুদের পরের ম্যাচ নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। এক ফুটবলার ও এক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। হয়তো কিছুদিনের জন্য স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএল।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌ছন্দ ফিরল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, তবু এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংয়ের হাত ধরে ছন্দ ফিরল। কিন্তু জয় অধরাই থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। আইএসএলে ৯ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয়ের মুখ দেখল না লালহলুদ শিবির। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ভাল খেলেও আটকে গেল। এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। ম্যাচের ফল ১১।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনদায়িত্ব পেয়েই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেননি অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং। বিদেশিদের ওপর বেশি ভরসা করেননি। মাত্র ২ জনকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন। ভারতীয় ফুটবলাররা হতাশ করেননি রেনেডিকে। রক্ষণে রাজু গায়কোয়াড়ের পরিবর্তে আদিল খান। মাঝমাঠে সৌরভ দাস, আক্রমণভাগে হাওকিপকে শুরু থেকে মাঠে নামান রেনেডি। আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথমবার মাঠে নেমেই ম্যাচের সেরা আদিল খান। জয় না এলেও এবারের আইএসএলে এত সুসংগঠিত ফুটবল এই প্রথম খেলল এসসি ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগএদিন ম্যাচের শুরু থেকে দুই দলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা বেশ জমে উঠেছিল। তারই মধ্যে ১৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। বেঙ্গালুরু এফসির রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে গিয়েছিলেন লালরিনলিয়ানা হামতে। বাঁদিক দিয়ে বক্সে ঢুকে যান। মাঝখান থেকে বক্সে পৌঁছে যান হাওকিপ। কে শট নেবেন দোটানা করতেই বেঙ্গালুরু এফসির ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে দেন। ২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডানদিক থেকে লুয়াংয়ের ফ্রিকিক মাটিতে পড়ার মুখে দুরন্ত হেডে জালে পাঠান হাওকিপ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু এফসি। ৫৬ মিনিটে রোশন নওরেমের ক্রস অঙ্কিত দাসের মাথায় লেগে লালহলুদের জালে জড়িয়ে যায়। ৮০ মিনিটে বক্সের মধ্যে খুব ভাল জায়গায় বল পেয়েছিলেন হাওকিপ। বল রিসিভ করতে পারলেই সামনে ফাঁকা গোল। কিন্তু বল রিসিভ করতে পারেননি। জয় অধরাই থেকে যায় লালহলুদের কাছে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বেঙ্গালুরু–র বিরুদ্ধে প্রথম জয় পাবে এসসি ইস্টবেঙ্গল?‌ কী বললেন অন্তর্বতীকালীন কোচ রেনেডি সিং

৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪টি জয়, ৪টি ড্র। ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে সবার শেষে অবস্থান লালহলুদ শিবিরের। এর মধ্যে অনেক ঝড় বয়ে গেছে। একম্যাচ আগে রেফারিকে ধাক্কা মেরে নির্বাসনের কবলে দলের সেরা ফুটবলার আন্তোনীও পেরোসেভিচ। কর্তাদের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন হেড কোচ মানোলো দিয়াজ। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে আপাতত দায়িত্বে রেনেডি সিং। নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন বছরে আলোর দিশা খুঁজতে চাইছে লালহলুদ শিবির। মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে বেঙ্গালুরু এফসি।মানোলো দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ ইতিমধ্যেই নিয়োগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন কোচ মারিও রিভেরার কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে দলের দায়িত্ব নিতে আরও কয়েকটা ম্যাচ কেটে যাবে। অন্তরবর্তীকালীন কোচ হিসেবে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন রেনেডি সিং। দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ। লালহলুদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচকে আশায় রাখছে আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলের ছন্দে ফেরা। জয় না এলেও আগের ম্যাচে যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল লালহলুদ ব্রিগেড। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে সেই ছন্দটাই ধরে রাখতে চান রেনেডি সিং।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?তবে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে কাজটা যে বেশ কঠিন সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ। ম্যাচটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখছেন। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সামনে কঠিন কাজ। এসসি ইস্টবেঙ্গল এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছে, সেখানে কেউই থাকতে চায় না। আমাদেরও ভাল কিছু করার ক্ষমতা আছে। আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিচ্ছি। যদি ম্যাচের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে পারি, তাহলে ভাল কিছু করা সম্ভব।খেলোয়াড় জীবনেও অনেকবার খারাপ সময়ের মধ্যে পড়েছেন। ঘুরেও দাঁড়িয়েছেন। সেই কথাই উঠে এসেছে রেনেডি সিংয়ের কথায়। তিনি বলেন, ১৯ বছরের ফুটবল জীবনে অনেক ওঠা পড়া দেখেছি। একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে এইরকম হওয়াটা স্বাভাবিক। দলের সাপোর্ট স্টাফ, সদস্যরা খারাপ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে গেলে চলবে না। ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। দল হিসেবে পরিশ্রম করলে আশা করছি আমরা ভাল ফল করব। গত মরশুমেও আমাদের এ রকম হয়েছিল। এখন কোচদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমি তো বললামই এটা কঠিন চ্যালেঞ্জ এবং এই চ্যালেঞ্জটা আমি পছন্দ করি। শেষ পর্যন্ত লড়ব। তবে চ্যালেঞ্জ জিততে গেলে পুরো দলকেই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আশা করি ছেলেরা তৈরি আছে।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘনির্বাসনের কারনে আন্তোনীও পেরোসেভিচকে এই ম্যাচেও পাবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রাঞ্জো পিরেস, ড্যারেন এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত নন। অর্থাৎ তিন বিদেশিকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। রাজু গায়কোয়াড়ের জায়গায় প্রথম একাদশে খেলানো হতে পারে আদিল খানকে। এছাড়া আরও কয়েকটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোল পেলেন না সুনীল ছেত্রি, তবু ৪–২ ব্যবধানে জয় বেঙ্গালুরু এফসি–র

আইএসএলে একসময় ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। পরের বছর অল্পের জন্য খেতাব হাতছাড়া। রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। পরপর তিনবছর সাফল্য নেই। তার ওপর গতবছর খুবই করুণ অবস্থা। ৭ নম্বরে শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। আর নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে সেমিফাইনালে তুলেছিলেন খালিদ জামিল। এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া তাঁর কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। প্রথম ম্যাচে অবশ্য বেঙ্গালুরু চ্যালেঞ্জ টপকাতে পারল না নর্থইস্ট ইউনাইটেড।আইএসএলে এর আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ১০ বার। একবার মাত্র জিতেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। পরিসংখ্যানে এগিয়ে থেকেই শনিবার খালিদ জামিলের দলের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৮ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও পেয়েছিল। দেশর্ন ব্রাউনের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। খেলার গতির বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। ম্যাচের ১৪ মিনিটে উদান্ত সিং বক্সের মধ্যে থ্রু বল বাড়ান। সেই থ্রু ধরে বঁাপায়ের জোরালো শটে বেঙ্গালুরু এফসিকে এগিয়ে দেন ক্লেইটন সিলভা। যদিও এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি বেঙ্গালুরু এফসি। ১৭ মিনিটে ভি সুহেরের ক্রসে বাঁপায়ের দুরন্ত ভলিতে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান দেশর্ন ব্রাউন।প্রথমার্ধে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলা দারুণ জমে ওঠে। ২২ মিনিটে মাসুর শেরেফের আত্মঘাতী গোলে আবার এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। মিনিট তিনেক পর সমতা ফেরায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে ম্যাথিয়াস কৌরিয়ুর ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন। ৩৬ মিনিটে ম্যাথিয়াসের ডানপায়ের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান বেঙ্গালুরু গোলকিপার শুভশিস রায়চৌধুরি। ৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে ৩২ করেন জয়েশ রানে। দ্বিতীয়ার্ধেও বেঙ্গালুরু এফসির দাপট অব্যাহত ছিল। জয়েশ রানে, উদান্ত সিংরা বারবার উঠে এসে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। কিন্তু লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি উদান্ত সিং, ক্লেইটন সিলভারা। অবশেষে ৮২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় বেঙ্গালুরু এফসি। অ্যালান কোস্তার কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে ৪২ করেন প্রিন্স আইবারা।

নভেম্বর ২০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নিজের সন্তান দিয়ে ‘উন্নত মানবজাতি’ তৈরির ভাবনা, ফাঁস এপস্টেইনের চাঞ্চল্যকর

যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইন নাকি নিজের ঔরস থেকে একটি সুপার রেস বা উন্নত মানবজাতি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনই দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমেরিকার নিউ মেক্সিকোতে তাঁর প্রাসাদটিকেই পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের এই পরিকল্পনার কথা এপস্টেইন বহু প্রভাবশালী ও শিক্ষিত ব্যক্তিকেও জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই অনেকে তাঁর নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকে বেবি র্যাঞ্চ বলে ডাকতেন। যদিও এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবায়িত হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা দাবি করেছেন, এপস্টেইন একসঙ্গে অন্তত ২০ জন গর্ভবতী মহিলাকে ওই প্রাসাদে রাখার কথা ভেবেছিলেন। নোবেলজয়ীদের শুক্রাণু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তৈরি রিপোজিটরি ফর জার্মিনাল চয়েস নামে একটি পুরনো স্পার্ম ব্যাঙ্কের ধারণা থেকেও তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।অনেকের মতে, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা ট্রান্সহিউম্যানিজম নামে এক বিতর্কিত মতবাদের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারণা অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা আরও উন্নত করা সম্ভব। তবে সমালোচকেরা বলেন, এই মতবাদের সঙ্গে ইউজেনিক্স-এর মিল রয়েছে। হিটলারের জার্মানিতে ইউজেনিক্স ধারণা ব্যবহার করে তথাকথিত শুদ্ধ জাতি গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই মতবাদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে অনভিপ্রেত জিন দূর করার কথা বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

আরএসএস প্রধানের টেবিলে আদনান শামি, ‘দেশদ্রোহিতা’ তকমা দিল কংগ্রেস

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে আরএসএস। পাকিস্তানি বায়ুসেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে ভাগবতের নৈশভোজকে দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।আরএসএস-এর শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বলিউডের একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আদনান শামিও। তাঁর সঙ্গে মোহন ভাগবতের নৈশভোজের ছবি সামনে আসতেই কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তিনি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করা আরএসএস-এর পক্ষ থেকে দেশদ্রোহিতার সামিল বলে দাবি কংগ্রেসের।তবে এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ আরএসএস এবং পদ্মশ্রী প্রাপক আদনান শামি। সোশাল মিডিয়ায় ভাগবতের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে একটি চমৎকার দিন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনায় ভাগবত তাঁর অনেক ভুল ধারণা দূর করে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শামি। তিনি ভাগবতকে অত্যন্ত ভদ্র ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ বলেও প্রশংসা করেন।ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ভাগবত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বাস করেন। তাঁরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তবে বিশ্বের সব হিন্দু তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাহায্য করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

৮৫০৫ অফিসার মঙ্গলবার হাজিরা দেবেন? রাজ্যকে কড়া বার্তা প্রধান বিচারপতির

ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপোড়েন পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে। কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবার রাজ্য সরকার কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়েও একাধিক মামলা দায়ের হয়।সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই সব মামলার শুনানি হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা যে মামলা করেছে, তার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, যে সংগঠন মূলত মন্দিরের দেখভাল করে, তাদের সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক কোথায়। একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় এদিন বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি।রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। বাকি ভোটারদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ডাকা হয়েছে। মোট ১.৩৬ কোটি মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। শুধু বানান ভুলের কারণেই প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটারকে তলব করা হয়েছে বলে তিনি জানান।নির্বাচন কমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে পাঁচ বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতে আসার পরই তারা এই দাবি জানতে পেরেছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন অফিসার মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না এবং তাঁদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না। কমিশনের আইনজীবী জানান, কোনও নামের তালিকা তারা পাননি। তখন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না, অফিসারের নাম, পদ এবং সমস্ত তথ্য দিতে হবে।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, চার বা পাঁচ তারিখেই তালিকা দেওয়া যেত। এ নিয়ে অযথা বিতর্ক চাই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্য জানায়, কোথায় কত অফিসার দরকার, তা জানতে সময় লেগেছে।রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে এবং কমিশন কখনও গ্রুপ-বি অফিসার চায়নি। কমিশনের পাল্টা দাবি, এসডিএম বা এসডিও র্যাঙ্কের অফিসার চেয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।ইআরও ও মাইক্রো অবজার্ভারদের ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই, মাইক্রো অবজার্ভাররা নন। তিনি কড়া ভাষায় জানান, প্রয়োজনে আদালত নির্দেশ দেবে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা বরদাস্ত করা হবে না।আদালতের নির্দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য, অর্থাৎ রাজ্যে এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে রিপোর্ট করতে হবে। সমস্ত তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে আর কাকে নয়। শেষ সিদ্ধান্ত ইআরও-র হাতেই থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মাদক মামলায় বড় পদক্ষেপ, হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির ১০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত শুরু

মাদক পাচারের অভিযোগে হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করল মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম। সোমবার থেকেই তাঁর প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছর লালগোলায় শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর এক আত্মীয় জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদক উদ্ধার হয়েছিল, যার আনুমানিক বাজারদর ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বেআইনিভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে শরিফুল ইসলামও জড়িত। পুলিশের দাবি, মাদক পাচারের মাধ্যমেই তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।এই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ১ জানুয়ারি অবৈধ টাকায় কেনা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে পুলিশ। অনুমতি মিলতেই সোমবার থেকে লালগোলার নলডহরি-সহ বিভিন্ন এলাকায় শরিফুল ইসলামের নামে থাকা জমি, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি চিহ্নিত করে ফ্রিজ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সূত্রের খবর, মোট ১৭টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে, যার মধ্যে জমি, বাড়ি, অফিস এবং একটি ব্যাঙ্কে ভাড়া দেওয়া সম্পত্তিও রয়েছে।এদিকে এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পর থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর পরিবারকে অপদস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর সঙ্গে মেয়ের শ্বশুরের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি দূর সম্পর্কের আত্মীয় মাত্র।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, তাঁর মেয়ের শ্বশুরের ইটভাটা, অনুষ্ঠান বাড়ি, জমি কেনাবেচা-সহ একাধিক বৈধ ব্যবসা রয়েছে এবং নিয়মিত আয়করও দেওয়া হয়। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও যেভাবে পুলিশ সম্মানহানি করছে, তার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহের শুরুতেই আতঙ্ক! একসঙ্গে ৯ স্কুলে বোমা হুমকি, ছুটল পুলিশ-বম্ব স্কোয়াড

সপ্তাহের প্রথম দিনেই দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার সকালে রাজধানীর নয়টি স্কুলে এই হুমকি আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ, দমকল এবং বম্ব স্কোয়াড।দিল্লির দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথম হুমকির খবর আসে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি নামী স্কুলে ইমেইলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। এর মধ্যে ছিল লরেটো কনভেন্ট স্কুল (দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ভেঙ্কটেশ্বর স্কুল (উত্তর-পশ্চিম দিল্লি), সিএম স্কুল ও বাল ভারতী স্কুল (রোহিণী), ডিটিএ স্কুল এবং দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমেইলে উসকানিমূলক ও উদ্বেগজনক বার্তা লেখা ছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, দিল্লি খালিস্তান হয়ে যাবে, পঞ্জাব খালিস্তান। ইমেইলে আফজল গুরুর নামও লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।শুধু স্কুল নয়, উড়ো ইমেইলে সংসদেও বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১১ মিনিটে সংসদে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।হুমকির খবর ছড়াতেই স্কুলগুলিতে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক অভিভাবক তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছে যান। পড়ুয়াদের দ্রুত বাইরে বের করে ভবন খালি করা হয়। পরে পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড স্কুলগুলিতে তল্লাশি চালায়। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

বিদায়ের আগে ঋণের বোঝা বাড়ালেন ইউনূস? নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটির শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার। তার আগেই একের পর এক নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে।এমনিতেই ঋণের চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যেই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বড় অংশই ঋণ নিয়ে জোগাড় করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই বিদায়ের মুখে সরকারের আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার আগেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। সেই ঋণ এখনও শোধ হয়নি। তার মধ্যেই নতুন একটি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, যেগুলিতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে কিছু প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকটি প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরে ইউনূস সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে। তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম ছিল। শেষ দিকে আবার তিনটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতেও কিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সমস্যা, সেই বিষয়ে তেমন জোর দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।এদিকে প্রকল্প বণ্টন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, চট্টগ্রাম এলাকায় বেশি সংখ্যক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, অথচ ২১টি জেলায় কোনও প্রকল্পই বরাদ্দ হয়নি। কেন চট্টগ্রামেই বেশি বরাদ্দ, সে বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলো-কে জানিয়েছেন, ঢাকার জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক উন্নত। রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal